খাদ্য নিরাপদ রাখার ৫ চাবিকাঠি - পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, কাঁচা ও রান্না খাদ্য পৃথক রাখা, ৭০ ডিগ্রী সে. এর বেশি তাপমাত্রায় রান্না করা, রান্না করা খাবার ৫ ডিগ্রী সে. এর নীচের তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা এবং নিরাপদ খাদ্যোপকরণ ও পানি ব্যবহার করা। নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ মেনে চলুন - উৎকৃষ্ট পদ্ধতিতে খাদ্য উৎপাদন করুন, উৎকৃষ্ট প্রক্রিয়ায় খাদ্য প্রস্তুত করুন ও নিরাপদ খাদ্য বিক্রয় করুন। জীবন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিরাপদ খাদ্য - অনিরাপদ খাদ্যকে না বলুন। ভেজাল ও মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় করবেন না এবং ছোঁয়াচে ব্যাধিতে আক্তান্ত ব্যক্তি দ্বারা খাদ্যদ্রব্য প্রস্তুত, পরিবেশন বা বিক্রয় করবেন না। মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্য যেমন, ক্যালসিয়াম কার্বাইড, ফরমালিন, ডিডিটি ও পিসিবি মিশ্রিত খাদ্যদ্রব্য বা খাদ্যোপকরণ মজুদ, বিপণন বা বিক্রয় করবেন না।

Articles

‘‘২ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ তারিখ-কে নিরাপদ খাদ্য দিবস’’ হিসেবে পালনের লক্ষ্যে গত ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ তারিখে কর্তৃপক্ষের সম্মেলন কক্ষে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

‘‘২ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ তারিখ-কে নিরাপদ খাদ্য দিবস’’ হিসেবে পালনের লক্ষ্যে জনাব মোহাম্মদ মাহফুজুল হক, চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ এর সভাপতিত্বে গত ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ তারিখে কর্তৃপক্ষের সম্মেলন কক্ষে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় আগামী ২ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ তারিখে বাংলাদেশে প্রথম বারের মত নিরাপদ খাদ্য দিবস যথাযথভাবে পালনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় করণীয় সম্পর্কে আলোচনা করা হয় এবং নিরাপদ খাদ্য দিবস পালনের জন্য উদযাপন কমিটি গঠন করা হয়।

You are here: Home