খাদ্য নিরাপদ রাখার ৫ চাবিকাঠি - পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, কাঁচা ও রান্না খাদ্য পৃথক রাখা, ৭০ ডিগ্রী সে. এর বেশি তাপমাত্রায় রান্না করা, রান্না করা খাবার ৫ ডিগ্রী সে. এর নীচের তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা এবং নিরাপদ খাদ্যোপকরণ ও পানি ব্যবহার করা। নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ মেনে চলুন - উৎকৃষ্ট পদ্ধতিতে খাদ্য উৎপাদন করুন, উৎকৃষ্ট প্রক্রিয়ায় খাদ্য প্রস্তুত করুন ও নিরাপদ খাদ্য বিক্রয় করুন। জীবন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিরাপদ খাদ্য - অনিরাপদ খাদ্যকে না বলুন। ভেজাল ও মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় করবেন না এবং ছোঁয়াচে ব্যাধিতে আক্তান্ত ব্যক্তি দ্বারা খাদ্যদ্রব্য প্রস্তুত, পরিবেশন বা বিক্রয় করবেন না। মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্য যেমন, ক্যালসিয়াম কার্বাইড, ফরমালিন, ডিডিটি ও পিসিবি মিশ্রিত খাদ্যদ্রব্য বা খাদ্যোপকরণ মজুদ, বিপণন বা বিক্রয় করবেন না।

Articles

নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩ পরিপন্থী কার্যক্রমের জন্য ঘটায় ভ্রাম্যমান আদালত কর্তৃক মতিঝিলের হিরাঝিল হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট কে ৩ লক্ষ টাকা জরিমানা

বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে গত ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭ তারিখে কর্তৃপক্ষের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট জনাব আবু সাইদ মোঃ নোমান এর পরিচালনায় ও র্যাব সদস্যগণের সহযোগিতায় নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত হয়। ভ্রাম্যমান আদালত অভিযানকালে হিরাঝিল হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট, ২২ মতিঝিল বানিজ্যিক এলাকায় অত্যন্ত নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য ও মিষ্টি তৈরী এবং পরিবেশন করতে দেখেন যা জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর  ও নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩ এর পরিপন্থী। ফলে  ভ্রাম্যমান আদালত কর্তৃক হিরাঝিল হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট কর্তৃক জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর খাদ্য তৈরী ও বিক্রয় করার অপরাধে হোটেলের ব্যবস্থাপককে দোষী সাব্যস্ত করে নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩ এর ৩৫ ধারায় অভিযুক্ত করে ৩.০০ (তিন) লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়। উক্ত কার্যক্রম জনাব মোঃ মাহবুব কবির, সদস্য, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ তত্ত্বাবধান করেন।

You are here: Home