খাদ্য নিরাপদ রাখার ৫ চাবিকাঠি - পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, কাঁচা ও রান্না খাদ্য পৃথক রাখা, ৭০ ডিগ্রী সে. এর বেশি তাপমাত্রায় রান্না করা, রান্না করা খাবার ৫ ডিগ্রী সে. এর নীচের তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা এবং নিরাপদ খাদ্যোপকরণ ও পানি ব্যবহার করা। নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ মেনে চলুন - উৎকৃষ্ট পদ্ধতিতে খাদ্য উৎপাদন করুন, উৎকৃষ্ট প্রক্রিয়ায় খাদ্য প্রস্তুত করুন ও নিরাপদ খাদ্য বিক্রয় করুন। জীবন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিরাপদ খাদ্য - অনিরাপদ খাদ্যকে না বলুন। ভেজাল ও মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় করবেন না এবং ছোঁয়াচে ব্যাধিতে আক্তান্ত ব্যক্তি দ্বারা খাদ্যদ্রব্য প্রস্তুত, পরিবেশন বা বিক্রয় করবেন না। মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্য যেমন, ক্যালসিয়াম কার্বাইড, ফরমালিন, ডিডিটি ও পিসিবি মিশ্রিত খাদ্যদ্রব্য বা খাদ্যোপকরণ মজুদ, বিপণন বা বিক্রয় করবেন না।

Articles

বাংলাদেশ খাদ্য নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মধ্যে ২২ অক্টোবর ২০১৭ একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়।

গত ২২ অক্টোবর ২০১৭ তারিখে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কার্যালয়ে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মধ্যে নিরাপদ খাদ্য সংক্রান্ত পারস্পারিক সহযোগিতা প্রদানের বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয় । বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের পক্ষে উক্ত সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেন ড. মোঃ খালেদ হোসেন, সচিব, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পক্ষে স্বাক্ষর করেন ড. আবুল খায়ের, উপপরিচালক (প্রশাসন), প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ। উক্ত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ মাহফুজুল হক, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জনাব ডাঃ মোঃ আইনুল হকসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

You are here: Home