খাদ্য নিরাপদ রাখার ৫ চাবিকাঠি - পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা, কাঁচা ও রান্না খাদ্য পৃথক রাখা, ৭০ ডিগ্রী সে. এর বেশি তাপমাত্রায় রান্না করা, রান্না করা খাবার ৫ ডিগ্রী সে. এর নীচের তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা এবং নিরাপদ খাদ্যোপকরণ ও পানি ব্যবহার করা। উৎকৃষ্ট পদ্ধতিতে খাদ্য উৎপাদন করুন, উৎকৃষ্ট প্রক্রিয়ায় খাদ্য প্রস্তুত করুন ও নিরাপদ খাদ্য বিক্রয় করুন। জীবন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিরাপদ খাদ্য - অনিরাপদ খাদ্যকে না বলুন। ভেজাল ও মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় করবেন না এবং ছোঁয়াচে ব্যাধিতে আক্তান্ত ব্যক্তি দ্বারা খাদ্যদ্রব্য প্রস্তুত, পরিবেশন বা বিক্রয় করবেন না। মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্য যেমন, ক্যালসিয়াম কার্বাইড, ফরমালিন, ডিডিটি ও পিসিবি মিশ্রিত খাদ্যদ্রব্য বা খাদ্যোপকরণ মজুদ, বিপণন বা বিক্রয় করবেন না।

Articles

Bangladesh Food Safety Conference 2017 with the Theme of “Protecting Consumers: A shared Responsibilities’’ was held at Pan Pacific Sonargaon Hotel, Dhaka to develop an efficient and effective food safety control system in Bangladesh jointly organized by BFSA, BSTI, FICC and MCCI held on 23-24 August, 2017 inaugurated by Honorable Minister, Ministry of Industries and Chaired by Chairman, BFSA.

 

বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ), বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউট (বিএসটিআই), ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রী (এফআইসিসিআই) এবং মেট্রোপলিটান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রী (এমসিসিআই)  এর যৌথ  উদ্যোগে ২৩-২৪ আগস্ট, ২০১৭ তারিখে দুই দিনব্যাপি এক কনফারেন্সের আয়োজন করা হয়। উক্ত কনফারেন্সের শুভ উদ্বোধন করেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মাননীয় মন্ত্রী জনাব আমির হোসেন আমু এমপি এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মাননীয় মন্ত্রী এ্যাডভোকেট মোঃ কামরুল ইসলাম এমপি। এ ছাড়াও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব মোঃ কায়কোবাদ হোসেন, দেশ-বিদেশ হতে আমন্ত্রিত নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে বিশেষজ্ঞগণ, খাদ্য উৎপাদনকারী ও ব্যবসায়ে সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তিবর্গ, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, সংস্থা ও অধিদপ্তর হতে আগত কর্মকর্তাগণ, বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ মাহফুজুল হক। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যথাক্রমে বানিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মাননীয় মন্ত্রী জনাব তোফায়েল আহমেদ এমপি এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মাননীয় মন্ত্রী এ্যাডভোকেট মোঃ কামরুল ইসলাম এমপি। উক্ত কনফারেন্সে বক্তাগণ দেশ-বিদেশের অভিজ্ঞতার আলোকে নিরাপদ খাদ্য সম্পর্কে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এবং বাংলাদেশে নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার জন্য বিভিন্ন সুপারিশমালা প্রণয়ন করেন; তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-

1.      কোডেক্স এলিমেন্টারিয়াস এর সাথে মিল রেখে নিরাপদ খাদ্য সংশ্লিষ্ট প্রয়োজনীয় প্রবিধানমালা প্রণয়ন করা যেতে পারে;

2.     নিরাপদ খাদ্য আইন ২০১৩ কে আরও বাস্তবমুখী ও কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনা যেতে পারে;

3.    সার্ক দেশের মধ্যে নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত জ্ঞান, অভিজ্ঞতা, প্রশিক্ষণ, পরিদর্শন, পরীক্ষাগারের অবকাঠামো, ইত্যাদি বিষয়কে বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশের নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনাকে আরও গতিশীল করা যেতে পারে;

4.      বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ করে প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ ও বিজ্ঞানভিত্তিক জ্ঞান প্রয়োগের মাধ্যমে আরওকার্যকরভাবে নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা যেতে পারে;

5.     ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, কানাডা, ভারত, অষ্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, ইত্যাদি দেশের নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনার অভিজ্ঞতার আলোকে নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয়ে স্টেকহোল্ডারদের সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষকে একটি কার্যকর কর্তৃপক্ষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে;

6.     বিভিন্ন উৎস্য হতে প্রাপ্ত তথ্য/উপাত্তের ভিত্তিতে বিপত্তি বিশ্লেষণপূর্বক সারভেইল্যান্স এবং পর্যবেক্ষণ  কার্যক্রম জোরদার করে খাদ্যের জৈবিক ও রাসায়নিক বিপত্তি কমিয়ে নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা যেতে পারে;

7.     নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্ট বিধি/প্রবিধানমালা যথাযথ অনুসরণে খাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো নিজস্ব আইন প্রয়োগের মাধ্যমে নিরাপদ খাদ্য প্রস্তুতকরণে উদ্বুদ্ধ করা যেতে পারে;

8.     খাদ্যে উৎপাদনকারী/প্রক্রিয়াজাতকারী/বিপণনকারী, আইন প্রয়োগকারী কর্তৃপক্ষ ও ভোক্তা সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে ভোক্তাগণকে নিরাপদ খাদ্য সম্পর্কে সঠিক তথ্য অবহিত করে সচেতন করা যেতে পারে;

9.     দেশে বিদ্যমান খাদ্য পরীক্ষাগারগুলোকে আধুনিকায়ন করা যেতে পারে।

You are here: Home
No. of visits: 377475